1. admin@alokito-bd.com : admin :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাউনিয়া গাঁজা সেবককে কারাদণ্ড শজিমেকে কার্ডিয়াক সার্জারিতে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ: ভাস্কুলার সার্জারি চালুর ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নওগাঁর আত্রাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর শুভ উদ্বোধন জাহাজমারায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় যুবদল নেতা ফাহিম উদ্দিন, তাঁকে চান এলাকাবাসী পীরগাছায় স্বপ্ন মানব সেবা সংস্থার আয়োজনে বৃক্ষরোপণ ও বিভিন্ন গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত পরীমনির দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন আইনজীবীর কৈচড় টেকনিক্যাল কলেজে বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং নবীনবরণ অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় ৩০ শিক্ষার্থীকে কোরআন ছবক প্রদান আত্রাইয়ে শিশুদের মাঝে পবিত্র কোরআন সবক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত আখাউড়ায় স্বামীর ছুরিকাঘাতে আহত স্ত্রী হালিমার ঢাকায় মৃত্যু, স্বামী পলাতক, শাশুড়ি ও ননদ ঢাকা হসপিটাল থেকে উধাও

নীলফামারী-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীর তথ্য গোপন করে মনোনয়ন দাখিল

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩২ বার পাঠ করা হয়েছে

নীলফামারী-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলামের দুই স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও এক স্ত্রীর তথ্য গোপন করে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকে মিডিয়া পাড়ায় গুঞ্জন শুরু হয়েছে।জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র জমাদানের শেষ দিন গেলো বছরের ২৯ ডিসেম্বর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নায়িরুজ্জামানের কাছে। গত ২ জানুয়ারী মনোনয়ন পত্র যাচাই বাছাইয়ে তার স্ত্রীর তথ্য যাচাই বাছাই না করে তার মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নায়িরুজ্জামান। পরে তার হলফনামায় দেখা গেছে, তার দুই স্ত্রীর মধ্যে বড় স্ত্রী এরিনা বেগমের নাম ও তার সন্তানদের তথ্য প্রকাশ করা হলেও ছোট স্ত্রী শারমিন বেগম ও তার সন্তান সাবিহা মণি (৫) কোন তথ্য নির্বাচনী অঙ্গীকারনামায় ব্যবহার না করে তা গোপন রেখেছেন। যাহা নির্বাচনী আচরণ বিধি অনুযায়ী অপরাধ। এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি এক স্ত্রীর তথ্য প্রদানের বিষয় স্বীকার করে বলেন, আমি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা, ডিজিএফআই, এনএসআই ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলে এক স্ত্রী ও সন্তানদের তথ্য প্রদান করেছি। এটা দোষের কিছু নেই। আপনাদের কে অভিযোগ করেছে সেই বিষয়ে আপনারা ডিসি অফিসে যান আমার কাছে আসছেন কেন? তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে হয়ে বলেন, আমার পিছনে লাগতে আসবেন না, আমার কোন স্ত্রীর তথ্য দিলাম আর কোন স্ত্রীর নাম দিলাম না সেটা খোঁজ নেয়ার সাংবাদিকের কাজ নয়, সাংবাদিকরা শিষ্টাচার বহির্ভূত ভাবে এগুলো কাজ করছে।প্রশাসক নায়িরুজ্জামানের মুঠোফোনে এই বিষয়ে একাধিকবার কল করার পরেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি