বাংলাদেশ আমার অহংকার’- এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে এলিট ফোর্সেস র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। অবৈধ অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধারসহ সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গড়তে র্যাবের প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা এবং পেশাদারিত্বের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বাদীর দায়েরকৃত এজাহার হতে জানা যায় যে, তিনি গত ০৩/০৩/২০২৬ ইং তারিখে রাত ১২.০৫ মিনিটে মোবাইল ডিউটি করাকালে সংবাদ পান যে, এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী মো: শাফায়েত হোসেন শামীম@ পিচ্চি শামীম (২৮) কে তাজহাট থানাধীন ২৮ নং ওয়ার্ডস্থ তাজহাট টিবি হাসপাতাল রোডের জনৈক সাইদ মিয়ার রিকসা গ্যারেজের সামনে এলাকাবাসী আটক করে রেখেছে। সংবাদপ্রাপ্ত হয়ে তিনি শাফায়েত হোসেন শামীমকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করে নিজ হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে আসেন । শাফায়েতের নিকট হতে জানা যায় তার সাথে আরো ২/৩ জন ছিল যারা কৌশলে পালিয়ে গেছে। পরবর্তীতে, এসআই/মো: আরাফাত হোসেন নিজে বাদী হয়ে আটক শাফায়েত হোসেনকে প্রধান আসামি এবং ধৃত আসামিসহ দুইজন পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গত ০৪/০৩/২০২৬ ইং তারিখ অস্ত্র আইনের ১৯(চ) ধারায় রংপুর মহানগরের তাজহাট থানায় একটি অস্ত্র মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-০২।
ঘটনাটি আলোচিত হওয়ায় অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩, সদর কোম্পানী, রংপুর এর একটি আভিযানিক দল ০৬/০৪/২০২৬ ইং তারিখ রাত ০৯.০৫ ঘটিকার সময় রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানাধীন বৈরাগীহাট বাজারে অভিযান পরিচালনা করে আরপিএমপি, রংপুর তাজহাট থানার মামলা নং-০২/২৮, তারিখ: ০৪/০৩/২০২৬, ধারা: ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(চ) মূলে অস্ত্র মামলার পলাতক ৩নং এজাহারনামীয় আসামী মোঃ জাবেদ ওরফে টোকাই জাবেদ (৩২), পিতা-মৃত হাসেম খান, সাং-ইসলামপুর (বাশিয়াপাড়া), থানা-মিঠাপুকুর, জেলা-রংপুর’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, আসামিরা অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের জন্য অত্র এলাকার বিত্তশালী লোকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এই ধরনের চলমান অভিযান ও র্যাব-১৩ এর গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
