ধর্মের তকমা গায়ে জড়িয়ে বাহিরঘরিয়া গোপালপুর আলিম মাদ্রাসায় জামায়াতের চলছে রমারমা ব্যবসা। হাসিনা সরকারের আমলে বাহিরঘরিয়া গোপালপর আলিম মাদ্রাসায় ২ আওয়ামীলীগ কর্মীকে প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়া হয়। একজনের শিক্ষা গত যোগ্যতা থাকলে আর একজন শিক্ষার কোঠায় শূণ্য। তবুও ক্ষমতাবলে তারা চাকরি পান। সাবেক প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যের ব্যক্তিগত পি এ বাহিরঘরিয়া গ্রামের আছাদের স্ত্রী শিউলি কে অফিস সহকারী এবং বাহিরঘরিয়া গ্রামের বর্তমান মেম্বার সেলিম আক্তারের ভাই জহিরকে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই চাকরি দেওয়া হয়। ৫ ই আগষ্টের পর শুরু হয় নতুন খেলা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনিরামপুরে জামায়েত বিজয় হলে শুরু চুক্তি ভিত্তিক আলোচনা। বিএনপির সাথে চুক্তি হয় ৩ লক্ষ্য টাকা কিন্তু বিএনপি হালচাল বুঝে টাকা ফেরত দিয়ে সরে দাড়ান। এরপর জামায়াত নেতারা চুক্তি করেন ১২ লাখ টাকা। যা গত বৃহঃবার গোপালপুর কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করেন ১৪ নং দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নের জামায়েত আমি মাওলানা আজিজুর রহমান ও ১৩ নং খানপুর ইউনিয়নের আমির মুফতী আবদুর রহিম। এঘটনা স্থানীয় বিএনপি জানতে পেরে জনগন নিয়ে বাধা প্রদান করেন। বিএনপির ভাষ্যমতে ৮ লাখ টাকা প্রতিষ্ঠানের একাউন্টে দেখালেও বাকি ৪ লাখ টাকা ঢুকেছে মাওলানা আজিজুর রহমান ও মুফতি আবদুর রহিমসহ বাদ বাকি জামায়েত নেতাকর্মীর পকেটে।
মাওলানা আজিজুর রহমান ১৪ নং দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী। সাধারণ জনগন বলছেন যে ব্যক্তির টাকার এতো লোভ তাকে কোন ভাবেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবো না। কারণ রক্ষক তো ভক্ষক।
