1. admin@alokito-bd.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুবশক্তিকে ধ্বংস করতে পরিকল্পিতভাবে তরুণদের বিভিন্ন অপরাধে জড়ানোর চেষ্টা হয়েছিল—ত্রাণমন্ত্রী ‎ পঞ্চগড়ে চানপাড়া ফুটবল টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল শুরু কাউনিয়ায় জাতীয় যুব দিবস পালন গাইবান্ধায় উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হলো জাতীয় যুব দিবস মিঠাপুকুরে দুই বোনকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ আজ যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নওগাঁয় মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৩ রংপুরে গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনি, যুবকের মৃত্যু কাউনিয়ায় তেজপাতা চাষে বিপ্লব ঢাকার বাজার দখল করে যাচ্ছে বিদেশে

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে অকাল বৃষ্টি,নিমজ্জিত আলুর ক্ষেত রক্ষায় আপ্রাণ চেষ্টা কৃষকদের

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬০ বার পাঠ করা হয়েছে

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে অকাল ও আকস্মিক ভারী বর্ষণে আলুর ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শুক্রবার (১৩ই মার্চ) শেষ রাতে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টিতে উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার আলুর ক্ষেত এখন পানির নিচে। একদিকে বাজারে আলুর নিম্নমুখী দাম, অন্যদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ—এই দ্বিমুখী সংকটে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা। উপজেলার শাখাহার ও রাজাহার ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠ আলুর খেত পানিতে থইথই করছে। অথচ মাত্র কয়েকদিন পরেই এই আলু ঘরে তোলার কথা ছিল। কৃষকদের অভিযোগ, ভালো ফলনের আশায় বুক বাঁধলেও মাত্র কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে তাদের সেই স্বপ্ন এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

কৃষক আব্দুল রাজ্জাক আক্ষেপ করে বলেন, ধারদেনা করে আলু চাষ করেছি। একদিকে বাজারে দাম নেই, তার ওপর এই বৃষ্টি। খেত থেকে পানি সরাতে না পারলে সব আলু পচে যাবে। আমাদের এখন পথে বসার দশা। সরেজমিনে দেখা গেছে, কৃষকরা কাদা-পানি মাড়িয়ে সেচ পাম্প দিয়ে বা ড্রেন কেটে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন ক্ষেত থেকে পানি বের করতে। অনেক জায়গায় আধাপাকা আলু তুলে ফেলারও চেষ্টা চলছে। তবে বৈরী আবহাওয়া ও জলাবদ্ধতার কারণে ক্ষতির পরিমাণ বেড়েই চলেছে। স্থানীয়দের দাবি, পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, আকস্মিক বৃষ্টির ফলে নিচু এলাকার জমিগুলোতে পানি জমে গেছে। বিশেষ করে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা জমিগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পরামর্শ দিচ্ছি। যেসব আলু পরিণত হয়েছে, সেগুলো পচন ধরার আগেই দ্রুত তুলে বাজারে বিক্রি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বছর উপজেলায় আলুর বাম্পার ফলন হলেও অকাল বৃষ্টি ও উৎপাদন খরচ না ওঠার শঙ্কায় কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন, যাতে তারা আগামী আমন বা বোরো মৌসুমে লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি