1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পঞ্চগড়ে পুলিশের কাবাডি আয়োজন বিজয়নগরে ২০ বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার ১ সেবার বদলে সংকট, ধুঁকছে গাইবান্ধার একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ সম্পর্ক সত্যিই মানানসই আছে কি না, বুঝবেন যে লক্ষণ গুলোতে আসছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বগুড়ায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার মেধাবী তরুণ তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন কাড়ল ডেঙ্গু পঞ্চগড়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে অকাল বৃষ্টি,নিমজ্জিত আলুর ক্ষেত রক্ষায় আপ্রাণ চেষ্টা কৃষকদের

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫১ বার পাঠ করা হয়েছে

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে অকাল ও আকস্মিক ভারী বর্ষণে আলুর ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শুক্রবার (১৩ই মার্চ) শেষ রাতে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টিতে উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার আলুর ক্ষেত এখন পানির নিচে। একদিকে বাজারে আলুর নিম্নমুখী দাম, অন্যদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ—এই দ্বিমুখী সংকটে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা। উপজেলার শাখাহার ও রাজাহার ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠ আলুর খেত পানিতে থইথই করছে। অথচ মাত্র কয়েকদিন পরেই এই আলু ঘরে তোলার কথা ছিল। কৃষকদের অভিযোগ, ভালো ফলনের আশায় বুক বাঁধলেও মাত্র কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে তাদের সেই স্বপ্ন এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

কৃষক আব্দুল রাজ্জাক আক্ষেপ করে বলেন, ধারদেনা করে আলু চাষ করেছি। একদিকে বাজারে দাম নেই, তার ওপর এই বৃষ্টি। খেত থেকে পানি সরাতে না পারলে সব আলু পচে যাবে। আমাদের এখন পথে বসার দশা। সরেজমিনে দেখা গেছে, কৃষকরা কাদা-পানি মাড়িয়ে সেচ পাম্প দিয়ে বা ড্রেন কেটে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন ক্ষেত থেকে পানি বের করতে। অনেক জায়গায় আধাপাকা আলু তুলে ফেলারও চেষ্টা চলছে। তবে বৈরী আবহাওয়া ও জলাবদ্ধতার কারণে ক্ষতির পরিমাণ বেড়েই চলেছে। স্থানীয়দের দাবি, পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, আকস্মিক বৃষ্টির ফলে নিচু এলাকার জমিগুলোতে পানি জমে গেছে। বিশেষ করে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা জমিগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পরামর্শ দিচ্ছি। যেসব আলু পরিণত হয়েছে, সেগুলো পচন ধরার আগেই দ্রুত তুলে বাজারে বিক্রি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বছর উপজেলায় আলুর বাম্পার ফলন হলেও অকাল বৃষ্টি ও উৎপাদন খরচ না ওঠার শঙ্কায় কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন, যাতে তারা আগামী আমন বা বোরো মৌসুমে লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি