1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পঞ্চগড়ে পুলিশের কাবাডি আয়োজন বিজয়নগরে ২০ বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার ১ সেবার বদলে সংকট, ধুঁকছে গাইবান্ধার একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ সম্পর্ক সত্যিই মানানসই আছে কি না, বুঝবেন যে লক্ষণ গুলোতে আসছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বগুড়ায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার মেধাবী তরুণ তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন কাড়ল ডেঙ্গু পঞ্চগড়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

ক্লাস বর্জন করে মানববন্ধনের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের দাবির সঙ্গে মিল নেই ইউএনওর বক্তব্য

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ৭২ বার পাঠ করা হয়েছে

স্নিগ্ধা খন্দকার, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ
পঞ্চগড়ের জগদল দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়মিত পাঠদান বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের দিয়ে মানববন্ধন করানোর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ের সামনে পঞ্চগড়-বাংলাবান্ধা মহাসড়কের জগদল বাজার এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষ থেকে বের করে আনা হয়। এতে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যস্ত মহাসড়কের পাশে শিক্ষার্থীদের অবস্থান করানোয় তাদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান বলেন, “উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি। তাঁর অনুমতি নিয়েই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে।”

তবে প্রধান শিক্ষকের এ বক্তব্যের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

পঞ্চগড় সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফুল কবির মো. কামরুল হাসান বলেন, “মানববন্ধন আয়োজনের বিষয়ে আমার কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। যদি নিয়মবহির্ভূতভাবে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন করিয়ে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করানো হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা সুলতানা বলেন, “এ ধরনের কোনো কর্মসূচির জন্য প্রধান শিক্ষক আমার কাছ থেকে লিখিত বা মৌখিক কোনো অনুমতি নেননি। বিষয়টি সম্পর্কে আমি আগে অবগতও ছিলাম না। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে।”

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ব্যাহত করে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনের মতো কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করানো কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়রা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি