1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পঞ্চগড়ে পুলিশের কাবাডি আয়োজন বিজয়নগরে ২০ বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার ১ সেবার বদলে সংকট, ধুঁকছে গাইবান্ধার একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ সম্পর্ক সত্যিই মানানসই আছে কি না, বুঝবেন যে লক্ষণ গুলোতে আসছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বগুড়ায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার মেধাবী তরুণ তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন কাড়ল ডেঙ্গু পঞ্চগড়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

নাগেশরীতে নদী ভাঙনে স্বপ্নভঙ্গ হাজারও পরিবারের নজর নেই কর্তৃপক্ষের

  • প্রকাশিত : শনিবার, ৮ অগাস্ট, ২০২৬
  • ৭৬ বার পাঠ করা হয়েছে

এম সাইফুর রহমান, নাগেশ^রী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
উজানের ঢল আর ভারী বৃষ্টিপাতে কুড়িগ্রামের নাগেশ^রী উপজেলার দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র, সঙ্কোষ, গঙ্গাধরসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও তা কমতে শুরু করেছে। পানি কমার সাথে সাথে দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙন। ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলী জমি, সুপাড়ি বাগান, সড়ক ও নানা অবকাঠামোসহ কোটি কোটি টাকার সম্পদ। ভাঙনে নিঃস্ব হয়ে কান্না থামছে না নদীপাড়ের মানুষের। যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করছেন তারা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র ও গঙ্গাধর নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের গোয়ালটারী, কুটিরচর, রায়গঞ্জ ইউনিয়নের চর দামালগ্রাম, ফান্দেরচর, ধাউরারকুটি, হাজিরমোড়, মোল্লারভিটাসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় দুধকুমার নদীর ভাঙন তীব্র হয়ে উঠেছে। এ ছাড়াও নুনখাওয়া, নারায়ণপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে বেশকিছু পয়েন্টে। নদী ভাঙনে একের পর এক বিলীন হচ্ছে মানুষের শেষ সম্বল। ফলে ঠাঁই হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়ছে নদীপাড়ের মানুষ। রায়গঞ্জ ইউনিয়নের চর ধাউরারকুটি হাজিরমোড় এলাকায় এক সপ্তাহে অন্ততঃ অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ভেঙ্গে গেছে দুধকুমারের আগ্রাসনে। কেউ কেউ ঘরবাড়ি সরিয়ে নিলেও শেষ রক্ষা হয়নি অনেকের। ভাঙন কবলিতদের অভিযোগ শুষ্ক মৌসুমে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নেয়ায় নিঃস্ব হচ্ছে হাজারও পরিবার। এ অবস্থায় স্বপ্নের শেষ আশ্রয় হারিয়ে কেউ কেউ অন্যের জমিতে অতি কষ্টে বসবাস করছেন পরিবার পরিজন নিয়ে। ওই এলাকার আতাউর রহমান আপেল জানান, তাদের এলাকায় দুধকুমার নদীর ভাঙনে এক রাতে বিলীন হয়েছে ৩৫টি বসতভিটা, সুপাড়ি বাগান ও ফসলী জমি। হুমকীর মুখে রয়েছে আরও অসংখ্য বাড়িঘর, নতুন স্লুইসগেট, সড়ক, মসজিদ, মাদরাসাসহ নানা অবকাঠামো। মোল্লারভিটা এলাকার মজিরন বেগম, জানান তার স্বামী নেই। নদীর কোলঘেঁসে রয়েছে সড়ক। আর এই সড়কের পাশেই এক টুকরো জমিতে রয়েছে তার মাথা গোঁজার ঠাঁই। যেভাবে নদী ভাঙছে এতে করে তার বসতভিটা কখন নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় এমন শঙ্কায় নির্ঘুম রাত কাটে তার। আছমা বেগম জানান, ভাঙনের কবলে পড়ে তিনি তাড়াহুড়ো করে বাড়ি সরিয়ে নিয়েছেন তিনি। বাড়ি না সরালে হয়তো তার বাড়িও নদীগর্ভে চলে যেত। বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের চর লুছনি এলাকার শাহালম মিয়া জানান, তিনি একাধিকবার দুধকুমান নদী ভাঙনের শিকার হয়েছেন। এতে করে তার জমিজমা সব হারিয়ে এখন নিঃস্ব তিনি। এছাড়াও সড়ক, মসজিদ, মাদরাসাসহ অসংখ্য বসতভিটা ভাঙনের মুখে রয়েছে। জরুরিভিত্তিতে ভাঙন না ঠেকালে অসংখ্য মানুষ বাস্তুহারা হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, বিভিন্ন নদনদীর ৩৮টি পয়েন্টে নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙন কবলিত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও বামনডাঙ্গা ও রায়গঞ্জ ইউনিয়নের ভাঙন কবলিত স্থানগুলোতি জিওব্যাপ ফেলে ভান রোধ করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি