1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পঞ্চগড়ে পুলিশের কাবাডি আয়োজন বিজয়নগরে ২০ বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার ১ সেবার বদলে সংকট, ধুঁকছে গাইবান্ধার একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ সম্পর্ক সত্যিই মানানসই আছে কি না, বুঝবেন যে লক্ষণ গুলোতে আসছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বগুড়ায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার মেধাবী তরুণ তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন কাড়ল ডেঙ্গু পঞ্চগড়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

সরানো হয়নি রংপুরের পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদকে, পেলেন পদোন্নতি

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট, ২০২৬
  • ৭৫ বার পাঠ করা হয়েছে

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ মহোদয়ের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে পদায়ন নিয়ে সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে এমনভাবে সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে, যাতে জনমনে তাঁর পদায়নকে মাছুয়াপাড়ায় সংঘটিত একই পরিবারের চারজনের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে ধারণা তৈরি হচ্ছে। বিষয়টি তথ্যগতভাবে সঠিক নয় এবং এ ধরনের উপস্থাপনা জনমনে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

প্রকৃতপক্ষে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের স্মারক নম্বর-৪৪,০০,০০০০.০০০.০৯৪.১৯.০০৮৫.২৫-২৯৩, তারিখ: ১২ আগস্ট ২০২৬ খ্রিঃ মূলে জনাব মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ মহোদয়কে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার পদ থেকে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়। অর্থাৎ, তাঁর পদায়নের সিদ্ধান্ত মাছুয়াপাড়ার হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পূর্বেই সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।

অতএব, ২২ আগস্ট ২০২৬ খ্রিঃ মাছুয়াপাড়ায় সংঘটিত একই পরিবারের চারজনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বা ওই ঘটনার কারণে তাঁর পদায়ন হয়েছে, এমন তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই।

বরং উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দায়িত্বে থাকাকালীন পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ মহোদয়ের সুদৃঢ় নেতৃত্ব, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিটসমূহের সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর মাছুয়াপাড়া হত্যাকাণ্ডের তদন্তে দ্রুত অগ্রগতি অর্জিত হয়। ঘটনার পরপরই রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট মাঠে নামে এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের প্রাথমিক রহস্য উদ্ঘাটন করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করা হয়।

এ ধরনের একটি চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর ঘটনায় দ্রুত তদন্তের অগ্রগতি এবং আসামিদের গ্রেফতার জনমনে স্বস্তি সৃষ্টি করেছে। এর পেছনে পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের দক্ষ নেতৃত্ব, নিবিড় তদারকি এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও আন্তরিক প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ মনে করে, সঠিক তথ্য জনসাধারণের জানার অধিকার এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন জনআস্থা অটুট রাখার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। তাই কোনো ঘটনার সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে যুক্ত করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জনগণের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও জনআস্থা রক্ষায় পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি