সরিয়ে নেওয়া হলে তা তাকে কুৎসিত করে দেয়।’
(আবু দাউদ, হাদিস : ২৪৭৮)
কখনো এমনও হয় যে শয়তান কোনো পুরুষের মনে কঠোরতার প্ররোচনা দেয় এবং তাকে নিজের শক্তি ও কঠোরতা সম্পর্কে অহংকারে ফেলে। সে তাকে বোঝায় যে সে শক্তিশালী ও সাহসী। ফলে সে নিজের স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেয়। এরপর সন্তানরা ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়, তাদের জীবন সম্পূর্ণ বদলে যায়। এমনকি তাদের আত্মীয়-স্বজনসহ মানুষও তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে।
সন্তানরা তখন দিশাহারা হয়ে পড়ে—না তারা বাবার কাছে স্বস্তি পায়, না মায়ের কাছে। তারা অসহায় হয়ে পড়ে, কষ্ট পায় এবং কখনো খাদ্য ও নিরাপত্তার সংকটেও পড়ে।
আবার কখনো স্ত্রীর পরিবার দরিদ্র হওয়ায় তার জন্য নতুন করে সংসার করার সুযোগও কমে যায়, বিশেষ করে যখন তার সন্তান রয়েছে। ফলে পৃথিবী তার জন্য প্রশস্ত হয়েও সংকীর্ণ হয়ে যায়। সে মানুষের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে এবং দুশ্চিন্তা, দুঃখ, একাকিত্ব ও নিঃসঙ্গতার মধ্যে জীবন কাটাতে থাকে।
এটি তার জন্য ক্ষতির কারণ এবং কখনো তার ওপর জুলুমও হতে পারে। অতএব, সাবধান হোন! ধৈর্য ধরুন!! সদাচরণ করুন!!!
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) সঙ্গে সদ্ভাবে জীবন যাপন করো। যদি তাদের অপছন্দ করো, তবে এমন হতে পারে যে তোমরা কোনো কিছুকে অপছন্দ করছ অথচ আল্লাহ তাতে অনেক কল্যাণ রেখেছেন।’ (সুরা : আন-নিসা, আয়াত : ১৯)
Leave a Reply