যশোর মনিরামপুরে বিএনপির মনোনয়ন ক্ষোভের জন্ম নিয়েছে উপজেলার সাধারণ জনগণের মনে। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা মনিরামপুর ১৭ টি ইউনিয়ন নিয়ে এই উপজেলা গঠিত। সৈরাচর শাসক শেখ হাসিনার আমলে এই উপজেলার মানুষকে হয়রানি হতে হয়েছে খুন গুম জেল হাজতের মধ্যে দিয়ে। তবুও শেখ হাসিনার শাসনামলে কঠিন অত্যাচারে মনিরামপুর উপজেলার হাল ধরে ছিলেন মহরুম আলহাজ্ব মুছা ও মনিরামপুর উপজেলার সভাপতি আলহাজ্ব এ্যাডভোকেট মুহাম্মাদ ইকবাল।শেখ হাসিনার পতনের পরই যেন প্রাণ খুজে পায় এলাকার নেতাকর্মীরা। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে যখন বাংলাদেশের সবজায়গায় প্রার্থীর নাম ঘোষনা করা হয় তখন এই বৃহত্তম উপজেলা মনিরামপুরকে রাখা হয়েছিলো হোল্ডে। তারপর বহু পরিক্ষার পর মনিরামপুর উপজেলাতে মনোনয়ন ঘোষণা করা হয় উপজেলার বিএনপির সভাপতি শহিদ ইকবালকে। দলের এমন সিদ্ধান্তে মনিরামপুরের অত্যাচারিত নিপিড়িত জনগণ খুব খুশি হন এবং আনন্দের সহিত ভোটের প্রচার শুরু করেন। কিন্তু হঠাৎ করে শহিদ ইকবাল এর মনোনয়ন বাতিল করে মনোনয়ন দেওয়া সাবেক ধর্মপতিমন্ত্রীর ছেলে রশিদ বিন ওয়াক্কাজকে। যে খবর শুনে বিএনপির ভীত যেন টলে গেছে এবং মনিরানপুর উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়ন বাসী ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। ১৭ টি ইউনিয়নের নারী পুরুষ একই কথা বলছেন ইকবাল সাহেবকে যত কাছে থেকে চেনিছি আমাদের বিপদে আপদে থেকেছেন তার সাথে কাছাকাছি কথা বলার সুযোগ হয়েছে এমন ভাবে কখনও রশিদ বিন ওয়াক্কাসকে কখনও দেখিনি। বা বিএনপির দূরদিনে তাকে কখনও পাশে পায়নি।তাহলে কি এটাই ধরে নেওয়া যায় যে মনিরামপুরে বিএনপির ভরাডুবি হতে চলেছে দলের এমন সিদ্ধান্তের কারণে।
Leave a Reply