1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পঞ্চগড়ে পুলিশের কাবাডি আয়োজন বিজয়নগরে ২০ বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার ১ সেবার বদলে সংকট, ধুঁকছে গাইবান্ধার একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ সম্পর্ক সত্যিই মানানসই আছে কি না, বুঝবেন যে লক্ষণ গুলোতে আসছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বগুড়ায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার মেধাবী তরুণ তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন কাড়ল ডেঙ্গু পঞ্চগড়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

পঞ্চগড়ে ভাতা ও কার্ড পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত, পদক্ষেপে নীরবতা

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬৬ বার পাঠ করা হয়েছে

স্নিগ্ধা খন্দকার,পঞ্চগড় সংবাদদাতাঃ
পঞ্চগড় সদর উপজেলার ৮নং ধাক্কামারা ইউনিয়নের মালিপাড়া এলাকায় বিভিন্ন সরকারি ভাতা ও কার্ড পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলেও, এখনো দৃশ্যমান কোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নেওয়ায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগে বলা হয়, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও টিসিবি কার্ডসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে মোট প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা নেওয়া হয়। দীর্ঘ সময়েও প্রতিশ্রুত সেবা না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্তরা, পঞ্চগড় সদর উপজেলা প্রশাসন বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন।

পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শুনানিতে অভিযোগের সত্যতা উঠে আসে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। শুনানি শেষে অভিযুক্ত পক্ষ ৭৫ হাজার টাকা ফেরত দেয়। তবে বাকি অর্থ এখনো ফেরত না পাওয়া এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা জানান, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ লেনদেনের ঘটনা কেবল ব্যক্তিগত অনিয়ম নয়; এটি জনস্বার্থ ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার সঙ্গে জড়িত গুরুতর বিষয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে সাধারণ মানুষের সরকারি সেবার প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ন হতে পারে।

জনস্বার্থে দ্রুত, স্বচ্ছ ও দৃশ্যমান প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণই এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় এ ধরনের অনিয়ম ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি