নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নে একটি চাষাবাদের জমিতে বুধবার সকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত হন। আহত ব্যাক্তিরা হচ্ছেন-আলেয়া বেগম (৪০), মাজেদা আক্তার (১৮)। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীরা গাছের ডাল কাটতে এসে একটি সক্রিয় বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে ফেলে এলোমেলোভাবে জমির ওপর ফেলে রাখেন। তারটি মূল মেইন লাইনের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল, যা মারাত্মক ঝুঁকির সৃষ্টি করে।
স্থানীয়রা জানান, জমিতে চাষ করতে গেলে ওই তারে হাত যায় একজনের তৎক্ষণাৎ তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করার জন্য আরেক ব্যক্তি এগিয়ে গেলে তিনিও বিদ্যুতে আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। দ্রুত এলাকাবাসী দুইজনকে উদ্ধার করে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ায় দু’জনই অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান।
ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে সংস্থার দুইজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যান। তবে এলাকাবাসী তাদের অবহেলার অভিযোগে কিছু সময়ের জন্য আটক রাখে বলে জানা গেছে। পরে স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ,
“বিদ্যুৎ কর্মীরা কাজ করতে এসে তার ছিঁড়ে ফেলে রাখলো, কিন্তু সতর্কতা বা কোনো চিহ্ন দিল না। বাচ্চারা বা অন্য কেউ হলেও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।
পরবর্তীতে জলঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের জিএম মেহেদি ইসলামের সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি যানান আপনার সমস্যা কি, এছারাও চরা মেজাজে বলেন আপনার যা করার করেন।
স্থানীয় সচেতন মহল দাবি করেছে, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে ঘটনার জন্য দায় নিতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অবহেলা রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
Leave a Reply