1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাউনিয়া গাঁজা সেবককে কারাদণ্ড শজিমেকে কার্ডিয়াক সার্জারিতে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ: ভাস্কুলার সার্জারি চালুর ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নওগাঁর আত্রাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর শুভ উদ্বোধন জাহাজমারায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় যুবদল নেতা ফাহিম উদ্দিন, তাঁকে চান এলাকাবাসী পীরগাছায় স্বপ্ন মানব সেবা সংস্থার আয়োজনে বৃক্ষরোপণ ও বিভিন্ন গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত পরীমনির দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন আইনজীবীর কৈচড় টেকনিক্যাল কলেজে বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং নবীনবরণ অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় ৩০ শিক্ষার্থীকে কোরআন ছবক প্রদান আত্রাইয়ে শিশুদের মাঝে পবিত্র কোরআন সবক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত আখাউড়ায় স্বামীর ছুরিকাঘাতে আহত স্ত্রী হালিমার ঢাকায় মৃত্যু, স্বামী পলাতক, শাশুড়ি ও ননদ ঢাকা হসপিটাল থেকে উধাও

জননেতা আলহাজ্ব মুছার মৃত্যুর পর মনিরামপুরের রাজনীতিতে বিএনপির ধস নেমেছে

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
  • ৩৪ বার পাঠ করা হয়েছে

বিথীকা সুলতানা বিথী, যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা মনিরামপুর। এই উপজেলাতে কম বেশি সকল ধর্মের লোক বাস করে। ১৭ টি ইউনিয়নে সব ধরণের রাজনীতির লোকের সমাগম। এ ক্ষেত্রে বিবেচনায় বুঝা যায় বিএনপির সমার্থক একটু বেশি আর এই বিএনপির হাল শক্ত করে ধরে রেখেছিলেন মনিরামপুরে দুই বর্ষীয়ান নেতা আলহাজ্ব মুছা এবং শহীদ ইকবাল।তবে ২০২৫ সালের ৩ অক্টোবর জননেতা আলহাজ্ব মুছার হঠাৎ মৃত্যুতে যেন মনিরামপুরের বিএনপির রাজনীতি ধসে পড়ে। হাজার হাজার নেতাকর্মী হয়ে পড়েন অভিবাবক হীন এই বর্ষীয়ান নেতার হঠাৎ মৃত্যুতে। পরম মমতায় ও শ্রদ্ধায় বিএনপির কে শক্ত হাতে ধরে রেখে ছিলেন হাজার নির্যাতন সহ্য করে। তবে জননেতা মুছা রেখে যান মনিরামপুরের আর একজন রাজনীতি বিদকে এ্যাডভোকেট শহীদ মোহাম্মদ ইকবাল কে। ইকবাল সাহেব ছিলেন মনিরামপুরের বিএনপির সভাপতি। জননেতা মুছার মৃত্যুর পর মনিরামপুরে বিএনপির রাজনীতির হাল ধরে রেখেছিলেন নেতা কর্মীদের নিয়ে। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় মনিরামপুরে বিএনপির রাজনীতি টিকাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেন। তবে দলীয় রেশারেশীর কারণে মনিরামপুরে বিএনপির স্থান শেষ করে জামায়েত ইসলাম জয়ী হয়।
যার কারণে সংসদ নির্বাচনের পর থেকে মনিরামপুর উপজেলাতে বিএনপি অভিবাবক হীন হয়ে পড়ায় বিএনপির রাজনীতে শুরু ধস। যা ধীরে ধীরে মনিরামপুরে বিএনপিকে শূণ্যের কোঠায় নিচ্ছে বলে মনে করেন প্রবীণ রাজনীতির নেতা কর্মীরা।এই উপজেলার মানুষ মনে করেন মনিরামপুরে বিএনপির রাজনীতে উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন জননেতা আলহাজ্ব মুছা এবং শহীদ ইকবাল।তারা মনে করেন জননেতা মুছা বেঁচে থাকলে আজ বিএনপির এই পরিণতি হতো না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি