বিথীকা সুলতানা বিথী, যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা মনিরামপুর। এই উপজেলাতে কম বেশি সকল ধর্মের লোক বাস করে। ১৭ টি ইউনিয়নে সব ধরণের রাজনীতির লোকের সমাগম। এ ক্ষেত্রে বিবেচনায় বুঝা যায় বিএনপির সমার্থক একটু বেশি আর এই বিএনপির হাল শক্ত করে ধরে রেখেছিলেন মনিরামপুরে দুই বর্ষীয়ান নেতা আলহাজ্ব মুছা এবং শহীদ ইকবাল।তবে ২০২৫ সালের ৩ অক্টোবর জননেতা আলহাজ্ব মুছার হঠাৎ মৃত্যুতে যেন মনিরামপুরের বিএনপির রাজনীতি ধসে পড়ে। হাজার হাজার নেতাকর্মী হয়ে পড়েন অভিবাবক হীন এই বর্ষীয়ান নেতার হঠাৎ মৃত্যুতে। পরম মমতায় ও শ্রদ্ধায় বিএনপির কে শক্ত হাতে ধরে রেখে ছিলেন হাজার নির্যাতন সহ্য করে। তবে জননেতা মুছা রেখে যান মনিরামপুরের আর একজন রাজনীতি বিদকে এ্যাডভোকেট শহীদ মোহাম্মদ ইকবাল কে। ইকবাল সাহেব ছিলেন মনিরামপুরের বিএনপির সভাপতি। জননেতা মুছার মৃত্যুর পর মনিরামপুরে বিএনপির রাজনীতির হাল ধরে রেখেছিলেন নেতা কর্মীদের নিয়ে। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় মনিরামপুরে বিএনপির রাজনীতি টিকাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেন। তবে দলীয় রেশারেশীর কারণে মনিরামপুরে বিএনপির স্থান শেষ করে জামায়েত ইসলাম জয়ী হয়।
যার কারণে সংসদ নির্বাচনের পর থেকে মনিরামপুর উপজেলাতে বিএনপি অভিবাবক হীন হয়ে পড়ায় বিএনপির রাজনীতে শুরু ধস। যা ধীরে ধীরে মনিরামপুরে বিএনপিকে শূণ্যের কোঠায় নিচ্ছে বলে মনে করেন প্রবীণ রাজনীতির নেতা কর্মীরা।এই উপজেলার মানুষ মনে করেন মনিরামপুরে বিএনপির রাজনীতে উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন জননেতা আলহাজ্ব মুছা এবং শহীদ ইকবাল।তারা মনে করেন জননেতা মুছা বেঁচে থাকলে আজ বিএনপির এই পরিণতি হতো না।
Leave a Reply