1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পঞ্চগড়ে পুলিশের কাবাডি আয়োজন বিজয়নগরে ২০ বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার ১ সেবার বদলে সংকট, ধুঁকছে গাইবান্ধার একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ সম্পর্ক সত্যিই মানানসই আছে কি না, বুঝবেন যে লক্ষণ গুলোতে আসছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বগুড়ায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার মেধাবী তরুণ তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন কাড়ল ডেঙ্গু পঞ্চগড়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

দেবীগঞ্জের পিআইওর বিরুদ্ধে ১৫ শতাংশ কমিশন আদায়ের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
  • ৮৭ বার পাঠ করা হয়েছে

স্নিগ্ধা খন্দকার, স্টাফ রিপোর্টার:
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বাবুল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পে ১৫ শতাংশ কমিশন বা ঘুষ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে কয়েকজন প্রকল্প সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের সঙ্গে প্রকল্পের বরাদ্দের বিপরীতে কমিশনের পরিমাণ নির্ধারণ ও অর্থ লেনদেন নিয়ে কথোপকথন হয়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে বাবুল চন্দ্র রায়কে ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দের ১৫ শতাংশ হিসাব করতে দেখা যায়।

ভিডিওতে দেখা যায়, এক ইউপি সদস্যের ৮ টন গমের প্রকল্পের হিসাব করে তিনি বলেন, “৩২ হাজার ইন্টু ৮, ২ লাখ ৫৬ হাজার। এর ১৫ শতাংশ দিলে ৩৮ হাজার টাকা আসে।” এ সময় সংশ্লিষ্ট সদস্য কমিশনের পরিমাণ কমানোর অনুরোধ জানালে পিআইও বলেন, “মেম্বারদের কোনোদিন লাভ হয় না।”

অন্য একটি প্রকল্পের ক্ষেত্রে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকার বরাদ্দের ১৫ শতাংশ হিসাব করে ২৪ হাজার টাকা দাবি করতে শোনা যায় তাকে। এছাড়া ১ লাখ ২০ হাজার টাকার একটি টিআর প্রকল্পের বিপরীতে ১৮ হাজার টাকা কমিশনের হিসাব করতেও দেখা যায়।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, কয়েকজন সদস্য কমিশনের পরিমাণ কমানোর অনুরোধ করছেন এবং কাজ শতভাগ বাস্তবায়নের দাবি করছেন। এ সময় পিআইও বিভিন্ন মন্তব্যের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র রায় বলেন, “ওরা কাজ না করেই বিল নিতে আসছিল। সে কারণেই এসব কথা হয়েছে। ঘুষ বা কমিশন নেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।”

এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইন্দ্রজীত সাহা বলেন, “বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জেনেছি। আমি জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করব। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই এবং অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনিক তদন্তের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে এলাকাবাসী।

ভইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে দেবীগঞ্জে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নিরূপণে প্রশাসনের তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন সবার নজর।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি