1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পঞ্চগড়ে পুলিশের কাবাডি আয়োজন বিজয়নগরে ২০ বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার ১ সেবার বদলে সংকট, ধুঁকছে গাইবান্ধার একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ সম্পর্ক সত্যিই মানানসই আছে কি না, বুঝবেন যে লক্ষণ গুলোতে আসছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বগুড়ায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার মেধাবী তরুণ তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন কাড়ল ডেঙ্গু পঞ্চগড়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

পঞ্চগড়ের রৌশনাবাগে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব: এক মাসে দুই মামলা, আতঙ্কে পরিবার

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
  • ১০৩ বার পাঠ করা হয়েছে

স্নিগ্ধা খন্দকার, স্টাফ রিপোর্টারঃ
পঞ্চগড়ে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে এক মাসের ব্যবধানে দুটি চাঁদাবাজি মামলা দায়েরের ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, জমি দখলের উদ্দেশ্যে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। অন্যদিকে পুলিশ বলছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরেজমিনে জানা যায়, পঞ্চগড়-টুনিরহাট সড়কের জেলা শহরের উপকণ্ঠে রৌশনাবাগ এলাকায় প্রায় সাড়ে ছয় শতক জমির ওপর দীর্ঘদিন ধরে টিনের ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন তবিবর রহমানের ছেলে মো. রাসেল ও তার পরিবার। বাড়ির সামনেই একটি চায়ের দোকান পরিচালনা করে, জীবিকা নির্বাহ করেন তারা।

তবে সম্প্রতি রংপুরে বসবাসকারী দুই ভাই এস কে সালাউদ্দিন লিটন ও নিক্সন ওই জমির মালিকানা দাবি করেন। জমির মালিকানা নিয়ে বর্তমানে আদালতে উভয় পক্ষের মধ্যে মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

রাসেল ও তার পরিবারের অভিযোগ, জমি থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তারা দাবি করেন, জমি দখলে ব্যর্থ হয়ে প্রতিপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে পরপর দুটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেছে। এসব মামলায় তাদের পরিবারের ১২ জন সদস্যকে আসামি করা হয়েছে এবং পুলিশ তিনজনকে আটকও করেছে।

রাসেলের ভাষ্য, “চাঁদাবাজির অভিযোগের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। শুধুমাত্র জমি দখলের উদ্দেশ্যে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। আমরা বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।”

অভিযুক্ত পক্ষের আরও দাবি, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সংগ্রহ করা তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগে উল্লেখিত ঘটনার সময় মামলার বাদী আরজুমান আখতার পঞ্চগড়ে অবস্থান করছিলেন না। ফলে পুরো ঘটনাটি সাজানো বলে তাদের সন্দেহ।

জানা গেছে, আরজুমান আখতারের দায়ের করা দুটি চাঁদাবাজি মামলা চলতি বছরের ১৯ জুন এবং গত ১৪ মে পঞ্চগড় সদর থানায় রুজু করা হয়।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আরজুমান আখতারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

অন্যদিকে জমির দাবিদার এস কে সালাউদ্দিন লিটন মুঠোফোনে বলেন, “আমি বর্তমানে রংপুরে আছি। মামলার বিষয়টি বিস্তারিত জানি না। পঞ্চগড়ে এসে এ বিষয়ে কথা বলব।”

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, “বাদীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে আবু সাইম বলেন, “চাঁদাবাজির অভিযোগ দুটি পুনরায় তদন্ত করা হবে। তদন্তে পুলিশের কোনো গাফিলতি বা পক্ষপাতিত্বের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জমির মালিকানা নিয়ে চলমান বিরোধের মধ্যেই পরপর দুটি চাঁদাবাজি মামলার ঘটনায় এলাকায় নানা প্রশ্ন ও কৌতূহলের জন্ম হয়েছে। এক পক্ষ মামলাগুলোকে হয়রানিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করলেও অন্য পক্ষের বক্তব্য এখনো স্পষ্ট নয়। ফলে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের এই ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের ওপরই এখন ভরসা করছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি