1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পঞ্চগড়ে পুলিশের কাবাডি আয়োজন বিজয়নগরে ২০ বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার ১ সেবার বদলে সংকট, ধুঁকছে গাইবান্ধার একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ সম্পর্ক সত্যিই মানানসই আছে কি না, বুঝবেন যে লক্ষণ গুলোতে আসছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বগুড়ায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার মেধাবী তরুণ তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন কাড়ল ডেঙ্গু পঞ্চগড়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

চট্টগ্রাম সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে আওয়ামী সিন্ডিকেটের ঘুষ বণ্টন, সাধারণ মানুষ জিম্মি

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট, ২০২৬
  • ১২৯ বার পাঠ করা হয়েছে

চট্টগ্রাম সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে আওয়ামী সিন্ডিকেটের সিন্ডিকেট প্রধান এস এ টি এ্যক্ট মোহরার মোহাম্মদ হোসেন ও তার সহকারী জুনিয়র নকলনবীশ জনাব আরাফাত আলীর দৈনিক ঘুষ বণ্টন, সাধারণ মানুষ জিম্মিসহ চট্টগ্রাম সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে অফিসের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। সরকার পরিবর্তনের পরও এই চক্র তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।সরেজমিনে এবং সাব-রেজিস্ট্রার সূত্রে জানা যায়, সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সিন্ডিকেটটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন অফিসের এস এ টি এ্যক্ট মোহরার মোহাম্মদ হোসেন ও জুনিয়র নকলনবিশ আরাফাত আলী। এই মোহাম্মদ হোসেন নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী বিপ্লব বড়ুয়ার ক্যাশিয়ার খ্যাত সদর সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসের এস এ টি এ্যক্ট মোহরার আওয়ামীলীগ নেতা মোহাম্মদ হোসেন গং বিগত দিনে আওয়ামীলীগের অর্থ যোগানদাতা আওয়ামীলীগের কর্মকান্ডে সক্রিয় থাকার অভিযোগ রয়েছে। এই সিন্ডিকেট চক্র চট্টগ্রাম রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্সে আওয়ামীলীগ বলয়কে সংগঠিত করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় গোপন বৈঠক করার অভিযোগ রয়েছে। দলিল রেজিষ্ট্রিতে সামান্য দাড়ি কমা ভুল হইলে ২/৩ লক্ষ টাকা চেয়ে বসে, সাধারণ মানুষও বাধ্য হয়ে সে টাকা দিয়ে রেজিষ্ট্রি করতে বাধ্য হয়। তার এই সিন্ডিকেট সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে দলিল নিবন্ধনের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত তাদের টেবিলে ঘুষ আদায় করে তা রাতেই ভাগ করে নেন তারা। পূর্বে এই অবৈধ লেনদেনের কথা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের সবাই জানলেও এ নিয়ে কথা বলার সাহস করতেন না।আরাফাত আলীকে আগে নকলনবিশের চাকরি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছিল। কিন্তু জেলা রেজিস্ট্রার মিশন চাকমা তাকে আবারও চাকরিতে ফিরিয়ে আনেন। বর্তমানে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব প্রতিদিন ১২ পৃষ্ঠা বালাম বহি লেখার নির্দেশনা থাকলেও তা না করে দলিল চুক্তি ভিত্তিক কাজে ব্যস্ত থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে।অন্যদিকে, সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী এরাদুল হক ভুট্টু আওয়ামী লীগ সরকারের সময় উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হওয়ার সুবাদে অফিসের সিন্ডিকেট পরিচালনা করতেন। বর্তমানে তিনি পলাতক হলেও সিন্ডিকেট চলমান রয়েছে। এখন সে পলাতক থাকলেও পূর্ববর্তী জেলা রেজিস্ট্রার খন্দকার জামিলুর রহমান তাকে আধুনগর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকারী হিসাবে পদায়ন করেন। কিন্তু তিনি কোনোদিন সেই অফিসে যাননি এবং অন্য ব্যক্তির মাধ্যমে সরকারি বেতন নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অফিসের ভেতরে দিনের শেষে ঘুষের টাকা বণ্টনের সময় অফিসের গেইটে দারোয়ান নিয়োগ দেওয়া হয়, যেন বাইরের কেউ সেই দৃশ্য দেখতে না পারে। সাধারণ মানুষ এই চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন এবং ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অফিসে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হলে মোহাম্মদ হোসেন ও আরাফাত আলীকে অত্র অফিস হইতে অপসারণ করতে না পারলে সেবাপ্রার্থীরা এই সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়বেন এবং জালিয়াতি ও দুর্নীতি চলতেই থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি