1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পঞ্চগড়ে পুলিশের কাবাডি আয়োজন বিজয়নগরে ২০ বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার ১ সেবার বদলে সংকট, ধুঁকছে গাইবান্ধার একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ সম্পর্ক সত্যিই মানানসই আছে কি না, বুঝবেন যে লক্ষণ গুলোতে আসছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বগুড়ায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার মেধাবী তরুণ তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন কাড়ল ডেঙ্গু পঞ্চগড়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

নীলফামারীতে ব্যাংক গ্রাহকের কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা নৈশ প্রহরী

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১২৩ বার পাঠ করা হয়েছে

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ সোনালী ব্যাংক শাখায় অর্ধশতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে বিপুল অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দীর্ঘদিনের নৈশপ্রহরী ফিরোজ মিয়ার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, নিরাপত্তাকর্মী হয়েও দিনের বেলায় তিনি ঋণসংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন।গ্রাহকদের দাবি, ঋণ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে ফাঁকা চেক, অলিখিত স্ট্যাম্প, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি ও ছবি নেওয়া হতো। পরবর্তীতে কারও কারও নামে প্রকৃত প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ঋণ দেখানোর অভিযোগও উঠেছে। ব্যাংকের নথিতে থাকা ঋণের অঙ্কের সঙ্গে হাতে পাওয়া অর্থের মিল না থাকায় নোটিশ পাওয়ার পর বিষয়টি জানতে পারেন কয়েকজন গ্রাহক।প্রশ্ন উঠেছে—একজন নৈশপ্রহরী কীভাবে ঋণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকিং কার্যক্রমে যুক্ত হলেন? ব্যাংকের তৎকালীন দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা কি বিষয়টি জানতেন?এ ঘটনায় তৎকালীন প্রিন্সিপাল ম্যানেজার শরীফ হাসান মুরাদের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ উঠেছে।এদিকে গত ২০ জুলাই থেকে ফিরোজ মিয়া ব্যাংকে আসছেন না বলে জানিয়েছেন বর্তমান ব্যবস্থাপক। তার কাছে থাকা অর্থ ও কাগজপত্র নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন গ্রাহকরা। বিষয়টি নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।ফিরোজ মিয়ার বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তার আয় ও সম্পদের সামঞ্জস্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।এছাড়া চাঁদমিয়া নামে এক ঋণগ্রহীতার অভিযোগ, দুই বছরের মেয়াদে ঋণ নেওয়ার পর তৎকালীন প্রিন্সিপাল অফিসার শরীফ হাসান মুরাদ তাকে এক বছরের মধ্যে ঋণ পরিশোধের জন্য তাগাদা দেন। এতে তিনি হয়রানি ও আর্থিক চাপে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন।ইনকিলাবের ৭ এপ্রিল ২০২৬-এর এক প্রতিবেদনে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ সোনালী ব্যাংক শাখার ম্যানেজার মো. শরীফ হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ তুলে দুদকের তদন্ত দাবি করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সাল থেকে নিজ এলাকায় কর্মরত থাকায় তিনি প্রভাব বিস্তার করেন।অভিযোগ ও বিভিন্ন অনিয়মের খবর প্রকাশের পর শরীফ হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত (ওএসডি) করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে কিশোরগঞ্জ থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে সোনালী ব্যাংক পিএলসির কুড়িগ্রাম করপোরেট অফিসের ডিজিএম শাখায় বদলি করা হয়েছে।সব মিলিয়ে প্রশ্ন একটাই—ফিরোজ মিয়া কোথায়? গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ ও নথিপত্রের কী হয়েছে? আর এই ঘটনায় ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পৃক্ততা ছিল কি না—তা তদন্তেই পরিষ্কার হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি