1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পঞ্চগড়ে পুলিশের কাবাডি আয়োজন বিজয়নগরে ২০ বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার ১ সেবার বদলে সংকট, ধুঁকছে গাইবান্ধার একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ সম্পর্ক সত্যিই মানানসই আছে কি না, বুঝবেন যে লক্ষণ গুলোতে আসছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বগুড়ায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার মেধাবী তরুণ তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন কাড়ল ডেঙ্গু পঞ্চগড়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

জাতীয় পার্টির তোষামোদেই হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠিত – মাওলানা আব্দুল হালিম

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৯৭ বার পাঠ করা হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, জাতীয় পার্টির তোষামোদী ভূমিকার কারণেই শেখ হাসিনার ১৫ বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠা পায়।

মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) দুপুরে রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে ৮ দলের ডাকা বিভাগীয় সমাবেশস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, “জাতীয় পার্টির বড় চমক হলো—তারা আওয়ামী লীগকে তুষ্ট করতে করতে ভারতের আজ্ঞাবাহী শেখ হাসিনাকে ১৫ বছর ক্ষমতায় টিকিয়ে রেখেছে। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের অগণতান্ত্রিক নির্বাচনে জনগণের ম্যান্ডেট ব্যাহত হওয়ার পেছনে অন্যতম দায় তাদের।”

মাওলানা হালিম আরও বলেন, একসময় রংপুরসহ দেশের মানুষের সহানুভূতি ছিল জাতীয় পার্টির প্রতি, কিন্তু “ফ্যাসিস্ট হাসিনার অন্ধভক্তির মাধ্যমে জনগণের আস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে দলটি।” তার দাবি, আওয়ামী লীগের মতো জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করাও এখন সাধারণ মানুষের গণদাবিতে পরিণত হয়েছে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের জারি করা আদেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের জারি করা আদেশকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার জন্য গণভোট অপরিহার্য ।

তিনি জানান, ৮ দল গণভোট একই দিনে না করে পৃথকভাবে এবং নভেম্বর মাসে আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যকে সম্মান জানিয়ে তারা একই দিনে গণভোটে অংশ নিতে রাজি হয়েছেন। তার ভাষায়, একই দিনে গণভোট হলে কিছু আশঙ্কা ও মিশ্র পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—তাই তারা আলাদা আয়োজন চেয়েছিলেন। তবুও তিনি দাবি করেন, “একই দিনে হলেও জনগণ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষেই রায় দেবে।” তিনি আরও বলেন, রংপুরে বিভাগীয় গণসমাবেশ আয়োজনের উদ্দেশ্যই হলো জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সুদৃঢ়ভাবে দাঁড় করানো।

রংপুরে বিভাগীয় গণসমাবেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে মাওলানা হালিম বলেন, “সমাবেশ বাস্তবায়নে রংপুরের ৮ দলের নেতৃবৃন্দ অত্যন্ত আন্তরিকতা ও মনোযোগ দিয়ে কাজ করছেন। লাখো মানুষের অংশগ্রহণে এই সমাবেশ জাতির সামনে একটি নতুন নজির স্থাপন করবে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন—জামায়াতে ইসলামীর রংপুর মহানগর আমির ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী উপাধ্যক্ষ এটিএম আযম খান, সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক কাজল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রংপুর মহানগর সভাপতি মুফতি আব্দুর রহমান কাসেমী, সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী আমিরুজ্জামান পিয়াল, রংপুর-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক রায়হান সিরাজীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি