1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পঞ্চগড়ে পুলিশের কাবাডি আয়োজন বিজয়নগরে ২০ বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার ১ সেবার বদলে সংকট, ধুঁকছে গাইবান্ধার একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ সম্পর্ক সত্যিই মানানসই আছে কি না, বুঝবেন যে লক্ষণ গুলোতে আসছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বগুড়ায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার মেধাবী তরুণ তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন কাড়ল ডেঙ্গু পঞ্চগড়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

পীরগাছায় বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে নেই একাধিক কর্মকর্তা, প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে উদাসীনতা

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৭ বার পাঠ করা হয়েছে

অফিসে অনিয়মিত উপস্থিতির অভিযোগ থাকলেও মহান বিজয় দিবসের মতো রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতেও অনুপস্থিত ছিলেন পীরগাছা উপজেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা। এতে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে রংপুরের পীরগাছা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে উপজেলা প্রশাসন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশীষ বসাকের নেতৃত্বে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা।তবে জাতীয় দিবসের গুরুত্বপূর্ণ এই কর্মসূচিতেও অনুপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তানভীর হাসনাত রবিন, খাদ্য নিয়ন্ত্রক আকলিমা বেগম, সমাজসেবা কর্মকর্তা এনামুল হক, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সেলোয়ারা বেগম এবং সাব-রেজিস্ট্রার।শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পনের সময় সমাজসেবা অফিসার এনামুল হক অনুপস্থিত থাকলেও পরবর্তীতে তাঁকে দেখা গিয়েছে, কিন্তু অন্য অফিসারদের পাওয়া যায়নি।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাতীয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক হলেও তারা কেউই অনুষ্ঠানে অংশ নেননি। এদিকে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা আকলিমা বেগমের বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিস না করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।অভিযোগ রয়েছে, তিনি মাঝে মাঝে অফিসে এলেও দুপুরের পর উপস্থিত হন এবং অফিস সময়ে কাজের পরিবর্তে গল্পগুজবে সময় কাটান।অন্যদিকে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এনামুল হকের বিরুদ্ধেও দেরিতে অফিসে আসার অভিযোগ রয়েছে। তিনি বর্তমানে ইটাকুমারি ইউনিয়নের প্রশাসকের দায়িত্বে থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, অফিসে অনুপস্থিত থাকলে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করেন, আবার ইউনিয়ন পরিষদে না থাকলে উপজেলা অফিসে আছেন বলে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, এ ধরনের দায়িত্বহীনতা প্রশাসনিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে এবং সাধারণ মানুষের সেবাপ্রাপ্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তারা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিক বার করে ফোন দেওয়া হলেও তাঁরা রিসিভ না করায় মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।অপরদিকে জাতীয় সংগীত পরিবেশণের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। যা সরাসরি জাতীয় পতাকাকে অসম্মান/অবমাননার শামিল। এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসানকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, আমি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আছি, এ বলে ফোন কেটে দেওয়ায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেবাশীষ বসাককে একাধিকবরা ফোন দেওয়া হলেও রিসিভ করেননি, ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তিনি জবাব পাঠাননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি