লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায়, ছিনতাইকারীরা টোপ হিসাবে ব্যবহার করে পতিতাকে, ছিনতাইকারী এবং পতিতাদের আস্তানা হল, সড়ক বাজার প্রাণ কেন্দ্র মুক্ত মঞ্চ, গোল্ডেন প্লাজার এর সামনে, মাছ বাজারের চিপা গলিতে, তাজমহল খাবার হোটেলের এরিয়াই, সড়ক বাজার পিক আপ গাড়ির চিপায়, মাইক্রো স্টেশন, রেল স্টেশনের সিগনাল অফিসের এদিকে, তাদের আস্তানা।
সড়ক বাজারের ব্যবসায়ী অতিথি খাবার হোটেলের মালিক সেন্টু মিয়া জানান, আমার খাবার হোটেল সারারাত খোলা থাকে, রাত ৮টা ৯টা ১০টার পর থেকে সারারাত ছিনতাইকারী আর পতিতা মিলে, দূর দূরান্ত থেকে আসা অচেনা মানুষকে, পতিতারা তাদের দিকে তাকিয়ে, তাদের শরীল অঙ্গ-ভঙ্গি করে, ডেকে নিয়ে চিপা গলিতে ঢুকিয়ে,কথা বলতে থাকে, হঠাৎ করে পতিতাদের সহকারী ছিনতাইকারীরা, এসে ওই ব্যক্তিকে ব্ল্যাকমেইল করে , মোবাইল, টাকা, ব্যগ, মূল্যবান জিনিস, ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। বাজারের ব্যবসায়ীরা দেখেও ভয়ে কিছু বলে না।
কিছুদিন আগেও আখাউড়া সবজি বাজার সংলগ্ন পৌরসভার একটি পরিত্যক্ত ভবনে এক নারীর লাশ পাওয়া গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পিবিআই পুলিশের বিশেষ তদন্তে, সবজি বাজারের পাহারাদার সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেন পিবিআই পুলিশ। পুলিশ তদন্তে পাহারাদারের জবানবন্দি, ঘটনার ঐদিন রাতে সবজি বাজারের পাহারাদার ওই নারীকে ফোন করে এনে, পৌরসভার পরিতক্ত ভবনে, পাহাড়াদার সহ তারা তিনজনে মিলে নারীর সাথে যৌন মিলন করে, শেষে টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটি হলে, তাকে তিনজনে মিলে গলায় কাপড় পেঁচিয়ে হত্যা করেন।
গোপন সূত্রে পাওয়া খবর, আখাউড়া পৌরসভার সড়ক বাজারের রাতের পাহারাদার, বাজারের ভিতরে সবজি বাজারের বিল্ডিং এর ছাদে এবং মাংসের দোকানের চকিতে পতিতাদেরকে দিয়ে, অসামাজিক কার্যকলাপ করান।
পেশাদার পতিতা বৃষ্টি, নিপুনি, ও সাদিয়াকে জিজ্ঞেস করলে, তারা জানান, প্রতিদিন রাত ১২টা ১টার দিকে কাস্টমার পেলে বাজারের পাহারাদার, বাজারের আশেপাশে আমাদেরকে না দেখলে ফোন করে আমাদেরকে আনে, বাজারের ভিতরে এবং সবজি বাজারের বিল্ডিং এর ছাদে, মাংস বাজারের চকির উপরে, আমরা কাজ করি, পাহারাদার কাস্টমার আনে, প্রতি কাজে আমাদেরকে ২০০ /৩০০ করে টাকা দেন। অনেক সময় কিছু ছেলে পেলে ছিনতাইকারী এসে চাইনিজ ফোল্ডিং চাকু কোমর থেকে বের করে, ভয় দেখিয়ে, কাস্টমাদের টাকা মোবাইল, মারধর করে নিয়ে যায়।
আখাউড়া সড়ক বাজারের একাধিক ব্যবসায়ীরা জানান,বাজারের পাহারাদার ঠিকমত পাহারা দিচ্ছে না, তারা সারারাত পতিতা দিয়ে অসামাজিক ব্যবসা করার ধান্দায় থাকে, ৫ই আগস্ট এর পর থেকে বাজারে চুরির উৎপাত বেড়েছে। পাহারাদার সঠিক ভাবে পাহারা দিলে বাজারে এতো চুরি হত না।
আখাউড়া থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ জাবেদ উল ইসলাম কে অবগত করা হয়েছে, উনি বলেন বিষয়টা বিশেষভাবে দেখব।
Leave a Reply