1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পঞ্চগড়ে পুলিশের কাবাডি আয়োজন বিজয়নগরে ২০ বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার ১ সেবার বদলে সংকট, ধুঁকছে গাইবান্ধার একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ সম্পর্ক সত্যিই মানানসই আছে কি না, বুঝবেন যে লক্ষণ গুলোতে আসছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বগুড়ায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার মেধাবী তরুণ তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন কাড়ল ডেঙ্গু পঞ্চগড়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

মিঠাপুকুরে স্কুলপড়ুয়া নাবালকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলার অভিযোগ

  • প্রকাশিত : শনিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫১ বার পাঠ করা হয়েছে

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় এক স্কুলপড়ুয়া নাবালক ছাত্রের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত কিশোর আরিফুল ইসলাম (১৭) উপজেলার কাফ্রিখাল ইউনিয়নের খোর্দ্দ নারায়ণপুর গ্রামের মনছুর আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত রিতা মনি (১৮) ও মোঃ নাসিরুল ইসলাম (২০)-এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একই সময়ে ধর্ষণ মামলার বাদী আফরিন (১৭) আসিফ নামের এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। চারজনের মধ্যে পারস্পরিক আলোচনা অনুযায়ী পালিয়ে গিয়ে বিয়ের পরিকল্পনাও ছিল বলে জানা গেছে।ঘটনার দিন গত ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে রংপুর নগরীর মডার্ন মোড় এলাকায় নাসিরুল ইসলাম, রিতা মনি ও আফরিন একত্রিত হন। তবে পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী আফরিনের প্রেমিক আসিফ সেখানে উপস্থিত হননি। এ সময় সহায়তার জন্য নাসিরুল ইসলাম তার বন্ধু আরিফুল ইসলামকে ফোন করে ঘটনাস্থলে ডেকে নেন।রাত গভীর হলে স্থানীয় কিছু বখাটে যুবক তাদের টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। নিরাপত্তাহীনতা ও অর্থাভাবে নাসিরুল ইসলাম তার বন্ধু আরিফুলের কাছে রাত কাটানোর জন্য আশ্রয় প্রার্থনা করেন। বন্ধুত্বের খাতিরে আরিফুল ইসলাম সবাইকে নিয়ে নিজ বাড়িতে যান। তখন রাত প্রায় ২টা।পরবর্তীতে সবাই জেগে গল্প করে রাত কাটান। পরদিন সকালে নাসিরুল ইসলাম তার এক আত্মীয়ের বাসায় সবাইকে নিয়ে যান। সেখানেই আফরিন অভিযোগ করেন যে, তাকে আরিফুল ইসলাম ধর্ষণ করেছে।ঘটনা সম্পর্কে রিতা মনি বলেন, আরিফুল আফরিনকে আগে চিনতো না। তাদের মধ্যে পূর্ব পরিচয় বা দেখা-সাক্ষাৎ কিছুই ছিল না। নাসিরুলের অনুরোধেই আরিফুল আমাদের সাহায্য করেছে। আমরা সবাই একসাথেই ছিলাম। আফরিন আমাকে কখনো ধর্ষণের বিষয়ে কিছু বলেনি।অভিযুক্ত আরিফুল ইসলামের পিতা মনসুর আলী বলেন, আমার ছেলে সম্পূর্ণ নির্দোষ। ঘটনার পর থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সে এখন নিখোঁজ। আমি তার কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। জোর করে মারধর করে একটি ভিডিও বক্তব্য নেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার ছেলে যদি অপরাধী হয়, তাহলে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হোক। আমি আমার ছেলেকে ফেরত চাই।এ বিষয়ে মামলার ৩ নম্বর সাক্ষী ও আফরিনের ফুফাতো ভাই আব্দুল রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি ফোনে এসব কথা বলতে চাই না। সরাসরি দেখা করে কথা বলি।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ শাহজাহান আলী বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।সাথে থাকা বান্ধবীর বর্ণনার সঙ্গে মামলার এজাহারের ঘটনার উল্লেখযোগ্য অমিল থাকায় সচেতন মহলের ধারণা, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ ও গভীর তদন্ত অত্যন্ত জরুরি। তারা মনে করছেন, তদন্তে প্রকৃত অপরাধী শনাক্ত হলে নির্দোষ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি