সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি অনুযায়ী চাকরিতে যোগদানের সময় প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীকে নিজের ও পরিবারের নামে থাকা সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বিবরণ দাখিল করতে হয়। এ বিধান লঙ্ঘন বা মিথ্যা তথ্য দিলে প্রশাসনিক শাস্তির বিধান রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে পরিচিত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, চাকরিকালীন সময়ে তিনি রংপুর নগরীর নুরপুর এলাকায় পৈত্রিক সম্পত্তিতে ফ্ল্যাট বা ভবন নির্মাণ করেন। এছাড়া টার্মিনাল রোড (চামড়া পট্টি) এলাকায় রাস্তা সংলগ্ন প্রায় ৭ শতক জমি এবং কলেজ পাড়ায় ৬ শতক জমি ক্রয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।
সিরাজুল ইসলাম ২০০১ সালে কাস্টমসে অফিস সহকারী হিসেবে যোগদান করে ধাপে ধাপে রাজস্ব কর্মকর্তা পদে উন্নীত হন। বর্তমানে তিনি কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (পূর্ব)-এ কর্মরত বলে জানান।
অভিযোগ প্রসঙ্গে সিরাজুল ইসলাম বলেন, নুরপুরের বাড়িটি তার পিতার, টার্মিনাল রোডের সম্পত্তি তার শাশুড়ি কিনে দিয়েছেন এবং কলেজ পাড়ার জমিতে এখনো কোনো স্থাপনা নির্মিত হয়নি। সব সম্পদের হিসাব সরকারি নথিতে রয়েছে এবং কোনো অনিয়ম হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
তবে স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, নুরপুরের ভবনটি তার চাকরিকালেই নির্মিত হয়েছে এবং টার্মিনাল রোডের জমির মালিকানা হস্তান্তর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব সম্পদের উৎস ও ঘোষণার বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি অনুযায়ী, ঘোষিত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
Leave a Reply