মোঃ ফারজুল ইসলাম,রংপুর:
রংপুর জেলায় জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সরকারি সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তাদের পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও আত্মনিবেদনের ফলে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রয়েছে।রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, তাজহাট জমিদার বাড়ি, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, নেসকো, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা নীরবে-নিভৃতে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সেবা দিয়ে চলেছেন।এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি নেসকো-০৩ এ দায়িত্ব পালনকালে আনসার সদস্য মোস্তফা কামাল, তাজুল ইসলাম ও রায়হান কবির তাদের নিয়মিত টহল ডিউটির সময় প্রতিষ্ঠানের সীমানা প্রাচীরের বাইরে এক ভবঘুরে যুবকের সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করেন। পরে তারা বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন।একপর্যায়ে ওই যুবক নেসকোর একটি পিক-আপ ভ্যানের অতিরিক্ত চাকা চুরি করে বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।খবর পেয়ে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সদর, রংপুর জনাব মোঃ নাসিম হাসান এবং উপজেলা প্রশিক্ষক সদর, রংপুর জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। পরে আনসার সদস্যরা অভিযুক্ত যুবককে আটক করতে সক্ষম হন।আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে যুবক চুরির বিষয়টি স্বীকার করেন। জানা যায়, আটক যুবকের নাম মুহিত (২১)। তার পিতার নাম আব্দুল আজিজ। তার বাড়ি রংপুর মহানগরীর শান্তিবাগ এলাকায়, ডাকঘর আলমনগর, ওয়ার্ড নং-২১।পরবর্তীতে উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ নাসিম হাসান ও উপজেলা প্রশিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান নেসকো-০৩ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে আটক ব্যক্তিকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় থানায় সোপর্দ করেন।সচেতন মহল মনে করছেন, আনসার সদস্যদের তাৎক্ষণিক তৎপরতা ও পেশাদার দায়িত্ববোধের কারণেই সরকারি সম্পদ চুরির ঘটনা নস্যাৎ হয়েছে। তাদের এমন দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করছে।
Leave a Reply