1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পঞ্চগড়ে পুলিশের কাবাডি আয়োজন বিজয়নগরে ২০ বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার ১ সেবার বদলে সংকট, ধুঁকছে গাইবান্ধার একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ সম্পর্ক সত্যিই মানানসই আছে কি না, বুঝবেন যে লক্ষণ গুলোতে আসছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বগুড়ায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার মেধাবী তরুণ তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন কাড়ল ডেঙ্গু পঞ্চগড়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শহিদ ইকবালকে দলে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি তৃণমূলের

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ১০৪ বার পাঠ করা হয়েছে

বিথীকা সুলতানা বিথী, যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
যশোরের মনিরামপুর উপজেলা বিএনপি বর্তমানে নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন দলটির তৃণমূল পর্যায়ের অনেক নেতা-কর্মী ও সমর্থক। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলমান রয়েছে।যশোর-৫ (মনিরামপুর) সংসদীয় আসনের আওতাধীন ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত মনিরামপুর উপজেলা দেশের অন্যতম বৃহৎ উপজেলা হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিকভাবে এ উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। জাতীয় নির্বাচনে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নির্বাচিত হলেও সাংগঠনিক দিক থেকে বিএনপি সবসময়ই একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান বজায় রেখেছে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন।দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর ধরে অ্যাডভোকেট শহিদ মো. ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে উপজেলা বিএনপির কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। দলের দুর্দিনে তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও পৌর এলাকার নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখে সংগঠনকে সক্রিয় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে দাবি করেন তার অনুসারীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন শহিদ মো. ইকবাল হোসেন। এ কারণে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর থেকেই উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে এক ধরনের স্থবিরতা ও নেতৃত্বের শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন অনেক তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।মনিরাপুর পৌরসভার ১৭ টি ইউনিয়ন এবং দলের নেতা কর্মীরা মনে করছেন মনিরামপুর উপজেলার বিএনপির কর্মীরা আজ নির্যাতিত হচ্ছেন রাজনীতিতে বিএনপির অভিবাবক না থাকায় এই অবস্থা তৈরি হয়েছে।এছাড়া মনিরামপুরে দিন দিন সকল ধরণের অপরাধ বেড়ে চলেছে বলে মনে করেন প্রবীণ রাজনীতি বিদরা।এছাড়া দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে মনিরামপুরে যারা ত্যাগী নির্যাতিত কর্মী ছিলেন তারা এখনও অত্যাচারিত ও নির্যাতিত হচ্ছেন বলে দাবি জনগণের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি