বিথীকা সুলতানা বিথী, যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
যশোরের মনিরামপুর উপজেলা বিএনপি বর্তমানে নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন দলটির তৃণমূল পর্যায়ের অনেক নেতা-কর্মী ও সমর্থক। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলমান রয়েছে।যশোর-৫ (মনিরামপুর) সংসদীয় আসনের আওতাধীন ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত মনিরামপুর উপজেলা দেশের অন্যতম বৃহৎ উপজেলা হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিকভাবে এ উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। জাতীয় নির্বাচনে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নির্বাচিত হলেও সাংগঠনিক দিক থেকে বিএনপি সবসময়ই একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান বজায় রেখেছে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন।দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর ধরে অ্যাডভোকেট শহিদ মো. ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে উপজেলা বিএনপির কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। দলের দুর্দিনে তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও পৌর এলাকার নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখে সংগঠনকে সক্রিয় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে দাবি করেন তার অনুসারীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন শহিদ মো. ইকবাল হোসেন। এ কারণে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর থেকেই উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে এক ধরনের স্থবিরতা ও নেতৃত্বের শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন অনেক তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।মনিরাপুর পৌরসভার ১৭ টি ইউনিয়ন এবং দলের নেতা কর্মীরা মনে করছেন মনিরামপুর উপজেলার বিএনপির কর্মীরা আজ নির্যাতিত হচ্ছেন রাজনীতিতে বিএনপির অভিবাবক না থাকায় এই অবস্থা তৈরি হয়েছে।এছাড়া মনিরামপুরে দিন দিন সকল ধরণের অপরাধ বেড়ে চলেছে বলে মনে করেন প্রবীণ রাজনীতি বিদরা।এছাড়া দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে মনিরামপুরে যারা ত্যাগী নির্যাতিত কর্মী ছিলেন তারা এখনও অত্যাচারিত ও নির্যাতিত হচ্ছেন বলে দাবি জনগণের।
Leave a Reply