গত ২৮ জুলাই, ২০২৬, মঙ্গলবার সকাল ছয়টায় ভূমিদস্যু ইব্রাহিম খলিল কর্তৃক অবৈধভাবে জহুরা বেগমের বাড়ি দখল ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে রংপুর শহরের সর্দার পাড়ায়।
ইব্রাহিম খলিলের নেতৃত্বে সর্দার পাড়ার কিছু বখাটে ছেলে ও বাইরের থেকে ভাড়া করে নিয়ে আসা কিছু লোকজন জহুরা বেগম (৬০), জং-মৃত মোবারক আলী (বীর মুক্তিযোদ্ধা), সাং- সর্দার পাড়া, থানা-তাজহাট মেট্রো: জেলা-রংপুর-এ বসবাসরত এবং ওই বাড়িতে কয়েকজন ভাড়াটিয়া সমন্বয়ে বাড়ির মালিক মোছা: জহুরা বেগম বাড়িটিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করে। ২৮ জুলাই, ২০২৬ সকাল বেলা ইব্রাহিম খলিল তার দলবল ও ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীসহ প্রত্যেকের হাতে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র, লাঠি সোটা, রামদা, কিরিচ, লোহার রড, সাবলসহ অন্যান্য অস্ত্র নিয়ে উক্ত বাড়িটিতে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙ্গচুর শুরু করে এবং ঘরে থাকা আসবাবপত্রসহ ব্যবহার্য জিনিসপত্র ভাঙ্গচুর করে এবং ভাড়িাটিয়াদের মারপিঠ করে বাড়ি থেকে বের করে দেয় ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করে। ওই বাসার সামনের অংশে একটি খাবারের হোটেল ছিল সেটিও ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়ে জিনিসপত্র রাস্তার মধ্যে ছুড়ে ফেলে দেয়। ঘটনাটি প্রশাসনে জানানো হলে প্রশাসন এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তীতে ইব্রাহিম খলিল অবৈধভাবে দখলকৃত বাড়িতে তালা লাগিয়ে বাড়িটির দখল নেয়। আজোবধি বাড়িটি ইব্রাহিম খলিলের দখলে আছে।
বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়, ওই বাসা নিয়ে কোর্টে মামলা চলমান আছে ৩টি। তার মধ্যে ইব্রাহিম খলিল মামলায় হেরে যাওয়ার পর উক্ত বাড়িটি জোর করে দখলে নেয়। মামলা চলমান থাকা অবস্থায় ওই বাসাটি কোনভাবেই কেউ অবৈধভাবে দখলে নিতে পারেন না। উক্ত বাসাটি অবৈধ দখলের পর বাসার মালিক মোছাঃ জহুরা বেগম (৬০), জং-মৃত মোবারক আলী (বীর মুক্তিযোদ্ধা), সাং-সর্দার পাড়া, থানা-তাজহাট মেট্রো: জেলা-রংপুর তাজহাট থানায় আটজনের নাম ও ঠিকানাসহ অজ্ঞাতনামা অনেককে আসামী করে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ফলে পুলিশ প্রশাসন মোছা: জহুরা বেগমকে আশ্বাস দিয়ে বলেন, আমরা বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। কিন্তু আজোবধি কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি মর্মে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
Leave a Reply