1. admin@alokito-bd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পঞ্চগড়ে পুলিশের কাবাডি আয়োজন বিজয়নগরে ২০ বোতল স্কফসহ গ্রেপ্তার ১ সেবার বদলে সংকট, ধুঁকছে গাইবান্ধার একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ সম্পর্ক সত্যিই মানানসই আছে কি না, বুঝবেন যে লক্ষণ গুলোতে আসছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বগুড়ায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার মেধাবী তরুণ তন্ময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন কাড়ল ডেঙ্গু পঞ্চগড়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

ছেলে দোষী হলে শাস্তি মেনে নেব, তবে সুষ্ঠু তদন্ত চাই, রংপুরে চার খুনে অভিযুক্ত সিদ্ধার্থের বাবা

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৩ অগাস্ট, ২০২৬
  • ৭৫ বার পাঠ করা হয়েছে

রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস দাবি করেছেন, তার ছেলে মাদকাসক্ত নয় এবং নির্দোষ। তবে নিকট প্রতিবেশী জিলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ডের বিচার চান তিনিও।

রবিবার (২৩ আগষ্ট) সন্ধায় রংপুর নগরীর মাসুয়া পাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে কথা হলে এমন মন্তব্য করেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া যুবক সিদ্ধার্থের বাবা।

এমন ঘটনায় ছেলে জড়িত এমন প্রশ্নের জবাবে বিনয় দাস বলেন, “ছেলে প্রতিদিন বাড়িতে থাকত। আমার কথা শুনতো। এখন শুনছি নেশা খেয়ে চারজনকে হত্যা করেছে। বিষয়টি আমি মেনে নিতে পারছি না। কবে থেকে ভিতরে ভিতরে সে নেশার জগতে প্রবেশ করলো বুঝতেই পারলাম না।”

তবে এলাকায় মাদকাসক্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বলে স্বীকার করেন তিনি।

ছেলের গ্রেপ্তারের বর্ণনা দিয়ে বিনয় দাস বলেন, “গতকাল (২২ আগষ্ট) রাত সাড়ে ১০ টার পর থেকে গণিপতির পরিবারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ভোর ৩ টার দিকে মরদেহগুলো নিয়ে যায় পুলিশ। এরপর ভোর রাতে কয়েকজন পুলিশ এসে আমাকে বলে এই বাড়িটি কার? আমি বলেছি আমার। তখন পুলিশ জিজ্ঞেস করে সিদ্ধার্থ কি আপনার ছেলে? আমি বলেছি হ্যাঁ। বাসায় আছে কিনা জানতে চাইলে বলেছি পাশেই ওর কাকুর বাড়ি সেখানে ঘুমিয়েছে। তখন আমাকে নিয়ে পুলিশ সেই বাড়িতে যায় এবং ঘুম থেকে ডেকে তুলে ওকে বলে মুগ্ধ বাড়ি চিনো কিনা? তখন পুলিশ ওকে মুগ্ধর বাড়ি নিয়ে যায়‌ এর পরে গাড়িতে করে নিয়ে যায়। তখন কিছুই বুঝি নাই। এখন শুনছি সে আর মুগ্ধ নামের আরেক যুবক গতিপতির এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন এই চারটি মানুষকে দুজন যুবক কিভাবে হত্যা করতে পারে। এর সাথে আরো কেউ জড়িত আছে কিনা। বা এটির মধ্যে রহস্য আছে কিনা তা তদন্ত করে উদঘাটন করা দরকার।”

ছেলে দোষী হলে শাস্তি মেনে নেবেন বলে জানান বিনয় দাস।

ঘটনার দিন ছেলে বাড়িতে রাত্রীযাপন করেছিলো কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সিদ্ধার্থের বাবা বলেন, “মাঝে মাঝে শুক্রবার করে ছেলে বিভিন্ন জায়গায় ফুটবল, ক্রিকেট খেলতে যায়। তাই সেদিন রাতে ভাত খেয়ে ছেলে বলেছিলোপাশ্ববর্তী এক বন্ধুর বাড়িতে থাকবে এবং সকালে উঠে সেখান থেকে ওই বন্ধুসহ খেলতে যাবে।”

২২ আগষ্ট রাত ১১ টার দিকে নগরীর মাসুয়া পাড়া এলাকায় তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও প্রাথমিকে পড়ুয়া ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় গণপতির বড় ভাই গুপিনাথ চক্রবর্তী বাদি হয়ে একটি অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ নামের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গণপতির বাসার ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় চারজনকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি